![]() |
| প্রাক্তন (অন্তিম পর্ব) |
প্রাক্তন (পর্ব ০৯)মিশিতা চৌধুরী
ম্যাডামের কবরের পাশে একটা বৃদ্ধা বসে আছে। কিছুতেই যাচ্ছে না। স্যার আপনি কিছু করুন।
--আমি আসছি এক্ষুনি।
--আচ্ছা।
--ঋতু আমাকে যেতে হবে এখন।
--রাশেদ ম্যাডামের কবর মানে কি?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম--আমার স্ত্রীর কবর।
--কিন্তু মুনিয়া যে কাল বললো ওর মাম্মামের কাছে যেতে দেরী হয়ে যাচ্ছে!!
--মুনিয়া রোজ ওর মায়ের কবর দেখতে যায়।পরে এসে সব বলছি।
--রাশেদ আমি কি তোমার সাথে যেতে পারি?প্লীজ না করো না কিন্তু।প্লীজ রাশেদ।
--ঠিক আছে চলো।
গাড়ি স্টার্ট করে ঋতুকে বললাম--
--আমাদের প্রিয় কোনো জিনিস আমাদের কাছে বেশিদিন থাকে না।হয় সেটা হারিয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায়। আল্লাহ আমার মুনকেও আমার থেকে কেড়ে নিয়েছে। ডেলিভারীর সময় মুনের অবস্থা ভালো ছিল না।ডাক্তার এসে বলল মা আর সন্তানের মধ্যে একজনকে বাঁচানো সম্ভব।ডাক্তারকে বললাম আমার দুজনকেই লাগবে। আল্লাহকে ডাকতে লাগলাম।মুনকে ছাড়া আমি বড্ড নিঃস্ব হয়ে যাবো।ঘন্টা খানেক পর ডাক্তার বললো আমার মেয়ে হয়েছে। নার্স এসে মেয়েকে কোলে দিলো।
--আমার মুন কেমন আছে?মুনকে দেখতে পাবো কখন?
--সরি রাশেদ সাহেব আপনার স্ত্রীকে বাঁচাতে পারি নি। যেকোনো একজনকে বেছে নিতে হয়েছে। আপনার স্ত্রী বার বার অনুরোধ করছিল যেন আপনার সন্তানকে বাঁচাই।আমরা ওনার অনুরোধ ফেলতে পারি নি।
সেদিন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে চিৎকার করে কেঁদেছি। আমার মুনকে বাঁচাতে পারি নি।এক চিলতে রোদ আমার হাতে আমানত রেখে চিরবিদায় নিলো।
--তারপর কি হলো রাশেদ?
--তারপর আর কি আমার আর আমার মেয়ের নতুন জীবন শুরু হলো।ওকে মানুষ করার লড়াই। আমাদের মধ্যেই মুনকে বাঁচিয়ে রাখবো চিরকাল।তার প্রতিটা ইচ্ছে পূরণ করতে হবে। নইলে আমার মুন বড্ড কষ্ট পাবে।মুন তার ডায়েরিতে সব ইচ্ছের কথা জানিয়ে গেছে।প্রত্যেকটা ইচ্ছে আমার কাছে বেঁচে থাকার অক্সিজেন।
কথা বলতে বলতে মুনের কবরের পাশে এসে গেলাম।ডুকরে কেঁদে উঠলাম।
--কেন ছেড়ে গেলে আমায় বউ? তুমি তো জানতে বলো আমার কাছে তুমি নামক ভালোবাসা ছাড়া কিছুই নেই।আমায় দেউলিয়া করার কি খুব দরকার ছিল।দেখো বউ তোমার আদর ছাড়া আমার গালগুলো কেমন শুকিয়ে গেছে। একটা বার ফিরে আসো না।আমি ভালো নেই বউ। তোমার বাচ্চা বর টা একটুও ভালো নেই।
তখনই গালের মধ্যে আলতো একটা ঠোঁটের ছোঁয়া পেলাম। হকচকিয়ে উঠলাম।পাশ ফিরতেই দেখি আমার রাজকন্যাটা দাঁড়িয়ে আছে।
--বাবাই তুমি আবার কাঁদছো! তোমায় না বলেছি কখনো কান্না করবে না।তাও তুমি বেবিদের মতো কান্না করছো। তুমি জানো যারা ব্যাড বয় তারা কান্না করে।কান্না করলে শিং হয় মাথায়। ঊম্মআহ তুমি তো আমার লক্ষ্মী ছেলে।আর যদি কান্না করতে দেখি তবে খুব বকুনি দেবো।
--এই যে বাবাই কান ধরেছি আর কান্না করবো না।আচ্ছা তুমি কার সাথে এসেছ মা?
--ড্রাইভার আঙ্কেল নিয়ে এসেছে আমায়।বাবাই এই আন্টিটা কে?
--মামুনি উনি তোমার একটা আন্টি।ওর নাম ঋতু।
মুনিয়া খিলখিল হেসে বললো--ছয় ঋতু!
ঋতু মুনিয়াকে কাছে টেনে বললো--হ্যাঁ তো আমায় তুমি ছয় ঋতু বলে ডেকো।
--মুনিয়া ঋতুকে জড়িয়ে ধরে বললো,"তুমি খুব কিউট ছয় ঋতু।"
ঋতু মুনিয়াকে আদর করতে করতে বলে ওরে পাকাবুড়িটা আমার তুমি ও খুবববব মিষ্টি।
--ছয় ঋতু আমরা তো কাল চলে যাবো তুমি কিন্তু এসো আমাদের বাসায়। তোমার সাথে দেখা করে তবে আমরা বের হবো। তাই না বাবাই?
--হুম আম্মু।ঠিক তাই।তুমি এবার গাড়িতে গিয়ে বসো। আমি এক্ষুনি আসছি।
--ঠিক আছে বাবাই।
--চাচা আপনি যে বললেন একজন বৃদ্ধা বসে ছিল। উনি কোথায়?
--স্যার ঐ যে বসে আছে।
আমি আর ঋতু ওনার কাছে গিয়ে বললাম--খালা আপনি কোথা থেকে আসছেন? বাসা কোথায় আপনার? এভাবে এখানে বসে আছেন কেন?
--বাবা আমার ছেলে আর ছেলের বউ আমায় সহায় বাসা থেকে বের করে দিয়েছে।ওরা নাকি সব সম্পত্তি বিক্রি করে বিদেশে চলে যাবে।আমার যাওয়ার জায়গা নেই।এই পথ আমার বাড়িঘর।
ঋতু হতবাক হয়ে বলল--
--আন্টি তুমি এখানে!
--কে তুমি মা?
--আন্টি আমি ঋতু। চিনতে পারছো না আমায়!!
--"ঋতু তুমি ওনাকে চেনো?"
-- হ্যাঁ রাশেদ। খুব ভালো করে চিনি।উনি শিশিরের আম্মু।"
--কি বলছো?
--হুম সত্যি বলছি।
আন্টি বলল --ঋতু মা তুমি। আল্লাহ তবে আমার ডাক শুনেছে। ঋতু মা আমায় ক্ষমা করে দে।আমি সেদিন তোকে যা নয় তাই বলে অপমান করেছি। টাকার অহংকারে আমি অন্ধ হয়ে ছিলাম মানুষকে মানুষ বলে মনে করতাম না। সবসময় ভাবতাম আমি সেরা। আল্লাহ আমার সেই অহংকার ভেঙ্গে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়েছেন।দেখ আজ আমি ভিখারির চেয়েও খারাপভাবে দিন কাটাচ্ছি।
--আন্টি কি করে হলো সব? শিশির তো এমন ছেলে না। তাহলে...
--আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবীর মেয়েকে পছন্দ করে ছেলের বউ করে আনলাম। কিন্তু সে যে মনে মনে অন্য কিছু পরিকল্পনা করে এসেছে আমি বুঝতে পারি নি। বিয়ের পর কয়েকবছর খুব ভালো কাটছিল। হঠাৎ একদিন শিশিরের বাবার হার্ট অ্যাটাক হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। সাথে আমায় দিয়ে যায় যন্ত্রণাময় দিন। শিশিরে বাবা তার বেশিরভাগ সম্পত্তি শিশিরের নামে উইল করে গেছে আমার নামে বাকি যা ছিল তা কৌশলে ছেলের বউ লিখিয়ে নিয়ে বাসা থেকে বের করে দেয়।কথায় বলে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। শিশিরের অবস্থাও তাই হয়েছে। তারপর থেকে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছি।কোনো আত্মীয় স্বজনকে পাশে পাই নি।সবাই দুধের মাছি। দুঃসময়ে কাউকে পাশে পাই নি।
মা তুই আমায় ক্ষমা করে দিস।আমি আমার অন্যায়ের শাস্তি পেয়ে গেছি।
বৃদ্ধার কথা শুনে খুব খারাপ লাগলো। ঋতুর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওর চোখগুলো ভেজা।
--না আন্টি এমন করে বলো না। শুধু তুমি নও অনেকেই আমায় অনেক খারাপ কথা কটু কথা শুনিয়েছে। এইজন্য আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি। তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।ওঠো এবার।
--কোথায় যাবো?
--আমার সাথে আমার বাসায় যাবে।আজ থেকে তুমি আমার সাথে থাকবে।
--কিন্তু.....
--কোনো কিন্তু না আন্টি।মা বাবার কথা ভেবো না।আমি বুঝিয়ে বলবো। রাশেদ আমরা এখন আসছি।
--আমি পৌঁছে দেবো?
--না না তোমায় কষ্ট করতে হবে না।আমি ট্যাক্সি নিয়ে চলে যাবো।
--আচ্ছা ঠিক আছে। ঋতু কাল একবার আমাদের বাসায় আসতে পারবে?
--হুম আচ্ছা।আসবো।
-----------------------------------------------------------
--বাবাই তুমি আবার জ্যাকেটটা খুলে রেখেছো !! পরে নাও তাড়াতাড়ি। তোমার ঠান্ডা লেগে যাবে তো।
--মামুনি আমার কিচ্ছু হবে না। তুই আমায় নিয়ে অতো ভাবিস না।আজ কত বড় একটা দিন ভেবে দেখেছিস।তোর মাম্মাম থাকলে কত্ত খুশি হতো।
-- হুম বাবাই মাম্মামকে খুব মিস করছি। এতো বছর বিদেশে থেকেও মাম্মামের সমস্ত স্মৃতি তুমি আগলে রেখেছো।
--তোর মাম্মাম থাকলে তোকে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে দিতো।বরপক্ষের একদম তাক লেগে যেতো।ভাবা যায় সেদিনের সেই পুঁচকে মেয়েটার আজ গাঁয়ে হলুদ।কাল সে বিয়ে করে শশুর বাড়ি চলে যাবে।
--ছেলে মেয়ে যত বড়ই হোক বাবা মায়ের কাছে সবসময় ছোট্টটি থাকে। রাশেদ তুমি একদম চিন্তা করো না।মিষ্টি মা কে আমি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে দেবো।বর পক্ষের চোখ একদম ছানা বড়া হয়ে যাবে।"
মুনিয়া অবিশ্বাস্যভাবে তাকিয়ে বলল--ছয় ঋতু তুমিইইইইইই!!
--হুম হুম আমি মামুনি। কেমন সারপ্রাইজ দিলাম বলো।
মুনিয়া দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বললো--দারুন সারপ্রাইজড হয়েছি ছয় ঋতু।
আমি বললাম--ঋতু তুমি তো বললে তোমার জরুরি কাজে ব্যাংকক যেতে হবে।তাহলে এত তাড়াতাড়ি কিভাবে?
--কাজ ছিলো। কিন্তু আমার মুনিয়া মামুনির বিয়ে আমি না আসলে চলে !! সব কাজ ফেলে আমার মামুনির কাছে এসেছি। তবে বিয়ে শেষ হলেই আমায় যেতে হবে।
--খুব ভালো করেছো। আমি একা সব দিক সামলাতে পারছিলাম না। তুমি এসে গেছো এবার আমার ছুটি।
--তা বললে হবে না রাশেদ।বিয়ে বাড়িতে হাজারটা কাজ। কিসের ছুটি শুনি। তোমার সব ছুটি ক্যান্সেল।
--যাহ ছুটি নট হয়ে গেলো!!
--এবার চলো সন্ধ্যায় তো অনুষ্ঠান সব ঠিকঠাক আছে কিনা দেখতে হবে তো।
--হুম চলো। ঋতু মামুনি আয় আমার সাথে।
--আসছি বাবাই।
------------------------------------------------------------
গায়ে হলুদ আর বিয়ের সব অনুষ্ঠান শেষ হলো। আমার মুনিয়া মামুনির বিদায়ের পালা। চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে।গলাটা ধরে আসছে। নিজের শান্ত করে নিরবের হাতে মুনিয়ার হাত রেখে বললাম---
--বাবা আমার মেয়েটাকে কখনো কষ্ট দিও না।ও আমার কলিজার টুকরা।ওকে সবসময় আগলে রেখো। কখনো একা ছেড়ো না। সারাজীবন দুজনে মিলেমিশে থেকো।
--আপনি চিন্তা করবেন না বাবাই।আমি মুনিয়াকে আমার সবটুকু দিয়ে আগলে রাখবো।কোনো কষ্ট ওর নাগাল পাবে না।
--বেয়াই মশাই আপনি ভাববেন না।মুনিয়া মাকে আমরা খুব যত্নে রাখবো।আমার মেয়ে হয়ে থাকবে।
--বেয়ান আমার মেয়েটা মা মরা মেয়ে।ছোট থেকে মায়ের আদর ভালোবাসা পায় নি।শাসন পায় নি।আপনি ওকে নিজের মতো করে শিখিয়ে পড়িয়ে নেবেন।যদি কোনো ভুল করে বুঝিয়ে বলবেন।ও ঠিক বুঝবে।আমি আপনাদের কাছে আমার মেয়েটা আমানত রাখলাম।
কথা শেষ না হতেই মুনিয়া আমার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লো। কান্না করতে করতে মেয়েটার চোখ দুটো রক্তিম হয়ে গেছে। হেঁচকি তুলতে তুলতে বলল--
--বাবাই আমি যাবো না বাবাই।আমি কোথাও যাবো না। আমি তোমার সাথে থাকবো।
ঋতু এসে বললো--কি হচ্ছে ! বাবা মেয়ে মিলে এত কান্না করলে এখানে একটা প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে যাবে। রাশেদ তুমি এবার কান্না থামাও।দেখো তোমার কান্নার চক্বরে মেয়েটার সাজ নষ্ট হয়ে গেল।
আমি চোখ মুছে মুনিয়াকে গাড়িতে তুলে দিলাম। মুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে ভেতরে আসলাম।একে একে সব অতিথি চলে গেছে। কাল বাড়িটা লোকে লোকারণ্য হয়ে ছিল।বাড়িটা আবার ফাঁকা হয়ে গেল।কাল যে বাড়িতে আলোর ছড়াছড়ি আজ সেই বাড়িটা অন্ধকার। ছাদে গিয়ে বসে রইলাম। মেয়েটার কথা খুব মনে পড়ছে।এক মুহুর্ত আমায় ছেড়ে থাকতে পারে না।তখন---
--রাশেদ আমার একটু পরে ফ্লাইট।আমায় চলে যেতে হচ্ছে। মুনিয়ার জন্য মন খারাপ করো না। আল্লাহ ওকে সবসময় ভালো রাখবেন। তুমি নিজের খেয়াল রেখো। ঠিকভাবে ওষুধ খেয়ো। নিজের খেয়াল রেখো। যেকোনো প্রয়োজনে আমায় পাশে পাবে।
--ঋতু তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।আমি যদি নিজের অজান্তে কখনো কষ্ট দিয়ে থাকি তবে মাফ করে দিও।
--প্লীজ রাশেদ এভাবে বলো না। তুমি আমার পাশে ছিলে বলেই আমি প্রতিটি কাজে সফল হয়েছি। তোমার মতো ভালো মনের একটা বন্ধু পাওয়া খুব ভাগ্যের।জীবনে এতো এতো না পাওয়ার মধ্যে তোমায় আর মুনিয়াকে পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বেশি মূল্যবান পাওয়া। তোমরা আমার জীবনে না এলে আমার জীবনটাই বৃথা যেতো। অনেক ধন্যবাদ রাশেদ আমায় এতো দামি একটা জিনিস উপহার দেওয়ার জন্য।
--হুম।
--আমি এখন আসছি রাশেদ।
--চলো তোমায় এগিয়ে দিয়ে আসি।
--না, তোমার কষ্ট করে যেতে হবে না। আমি চলে যেতে পারবো।
--আচ্ছা সাবধানে যেও। পৌঁছে ফোন করো।
ঋতু চলে গেল। আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি।মুনকে বড্ড মিস করছি।
--দেখো বউ আজ আবারও আমি একলা হয়ে গেলাম। তোমার সব ইচ্ছে আমি পূরণ করতে পেরেছি কি না জানি না।তবে চেষ্টা করে গেছি।এবার মরেও শান্তি । বউ আমি তোমায় অনেক ভালবাসি। ইচ্ছে করছে তোমার কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে। তোমার হাতে হাত রেখে গল্প করতে।
চোখ বন্ধ করতেই কপালে কারো স্পর্শ পেলাম।কেউ বলে উঠলো,"আমিও আপনাকে অনেক ভালোবাসি বর। সবসময় আপনার সাথেই আছি।আমি আপনার প্রথম ভালোবাসা হতে পারি নি কিন্তু শেষ ভালোবাসা হয়ে রইলাম সারা জীবনের জন্য।
***সমাপ্ত****
(আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন সবাই? জানি না কেমন লিখেছি।বলা যায় এটা আমার লেখা প্রথম ধারাবাহিক গল্প। আপনাদের থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। এতো দিন ধরে সাপোর্ট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ সবাইকে ।পরবর্তী গল্প খুব শীঘ্রই আসছে।আশা করি সবাই পাশে থাকবেন। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য)
